এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) এর গ্রহণ এবং উদ্ভাবন সংক্রান্ত কাজগুলো এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। তাদের বার্ষিক আলোচনার অংশ হিসেবে, সরকারী এআই নেতারা এআই উদ্যোগ শক্তিশালী করার পথ নিয়ে আলোচনা করেছেন, বিশেষত সরকারী সেক্টরে, এবং কীভাবে সামাজিক এবং পরিবেশগত সমস্যার সমাধানে এআই এর ব্যবহার করা যায় সে সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ নিয়ে কথা বলেছেন।
পটভূমি এবং এআই ২০৩১ স্ট্র্যাটেজি
সংযুক্ত আরব আমিরাত একটি গ্লোবাল এআই নেতা হিসেবে দেশটিকে স্থাপন করার লক্ষ্য নিয়ে ২০৩১ এর জন্য জাতীয় এআই স্ট্র্যাটেজি চালু করেছে। এই স্ট্র্যাটেজি আটটি মূল লক্ষ্যগুলোর উপর গুরুত্ব দিয়েছে, উদাহরণস্বরূপ আমিরাতকে এআই গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, অগ্রাধিকার সেক্টরে প্রতিযোগিতার বৃদ্ধি, এবং এআই এর জন্য মৌলিক ডেটা এবং অবকাঠামো সরবরাহ।
এআই’র উন্নয়ন এবং পরিচালনা
সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার এআই’এর উন্নয়নের সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এতে ২০১৭ সালে প্রথম এআই বিষয়ক মন্ত্রী নিয়োগ, গবেষণা ও উন্নয়নের কেন্দ্র স্থাপন এবং প্রযুক্তি কোম্পানিতে কৌশলগত বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মন্ত্রিসভা কর্তৃক সদ্য অনুমোদিত এআই নীতি ছয়টি মূল নীতি নিয়ে কেন্দ্রিক: উন্নয়ন, সহযোগিতা, সম্প্রদায়, নৈতিকতা, স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তা।
কার্যকর প্রস্তাবনা এবং ভবিষ্যতের দৃষ্টিভঙ্গি
এআই গ্রহণে সফলতার জন্য, প্রযুক্তির দায়িত্বপূর্ণ ব্যবহারে নিশ্চয়তা প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ১০০ সরকারি কর্মকর্তাদের এআই প্রশিক্ষণ প্রদান, স্কুলে এআই’এর প্রবর্তন এবং সরকারি আর বেসরকারি সেক্টরের যৌথ গবেষণার প্রচার। নেতারা এআই সফলতার জন্য সহনশীলতা, ডেটার বৈচিত্র্য এবং ডেটা প্রক্রিয়াকরণের গতির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
সংক্ষেপে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এআই নেতা হওয়ার প্রচেষ্টা উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং সুচিন্তিত। পরিচালনা, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং এআই’র দায়িত্বপূর্ণ ব্যবহারে মনোযোগ দিয়ে দেশটি এই প্রযুক্তির সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাতে এবং জটিল সামাজিক এবং পরিবেশগত সমস্যার সমাধান করতে সুপ্রতিষ্ঠিত।








