সম্প্রতি, দুবাই তার বাসিন্দাদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নতির জন্য একটি যুগান্তকারী কাঠামো চালু করেছে, যা শিক্ষার্থীদেরও অন্তর্ভুক্ত করে। এই উদ্যোগটি দুবাই সামাজিক এজেন্ডা ৩৩ এর অংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো একটি স্বাস্থ্যকর এবং সমর্থণযুক্ত শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলা, এবং তরুণদের একাডেমিক ও ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব উপলব্ধি করা।
উদ্যোগের প্রেক্ষাপট এবং উদ্দেশ্য
দুবাই স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ (ডিএইচএ) ১০৫ মিলিয়ন এডির একটি নতুন মানসিক স্বাস্থ্য কাঠামো ঘোষণা করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো শহরের অধিবাসীদের, বিশেষত শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও কল্যাণ উন্নত করা। এই কাঠামোটি দশটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং এটি আগামী পাঁচ বছরে বাস্তবায়িত হবে।
মানসিক সহায়তা প্রোগ্রাম এবং কল্যাণ কর্মশালা
উদ্যোগটিতে মানসিক সহায়তা প্রোগ্রাম, কল্যাণ কর্মশালা এবং সচেতনতামূলক প্রচারণা অন্তর্ভুক্ত থাকবে যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপ ও উদ্বেগ কমানোর জন্য পরিচালনা করা হবে। এটি মানসিক ও আবেগজনিত অবস্থায় প্রভাবিতকারী প্রাথমিক উপাদানগুলো শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় যত্ন ও পরামর্শ প্রদানের সেবার উন্নতির উপরও গুরুত্ব দেবে।
শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের জন্য ব্যবহারিক উপদেশ
শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের জন্য মানসিক উদ্বেগের লক্ষণগুলি চিনতে পারা গুরুত্বপূর্ণ, যেমন স্থায়ী বিষণ্ণতা, সাধারণ কাজকর্মে আগ্রহ হারানো, এবং খাদ্যাভাস বা ঘুমের পরিবর্তন। এই লক্ষণগুলো দেখা গেলে পেশাদারের সাহায্য গ্রহণ করা অপরিহার্য। অভিভাবকরা তাদের কিশোর-কিশোরীদের প্রথম সাক্ষাতে নিয়ে যেতে পারেন, যাতে পেশাদারের সাথে একটি বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলা সহজ হয়।
দুবাইয়ের এই মানসিক স্বাস্থ্য উদ্যোগ নিয়ে চিন্তা করলে বোঝা যায় যে এটি শিক্ষার্থীদের মানসিক কল্যাণ উন্নতির জন্য একটি মহৎ অঙ্গীকার। স্বাস্থ্যকর এবং সমর্থণযুক্ত শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নের মাধ্যমে এটি তরুণদের একাডেমিক ও ব্যক্তিগত সাফল্যে অবদান রাখছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজন অনুভূত হলে সহায়তা চাইতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে।








