IIT দিল্লি আবুধাবির উদ্বোধন, যেখানে সভাপতিত্ব করেছিলেন শেখ খালিদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের মধ্যে শিক্ষাগত ও গবেষণা সম্পর্কগুলিতে একটি উল্লেখযোগ্য মোড় নির্দেশ করে। ভারতীয় প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট দিল্লির (IIT-Delhi) এই প্রথম আন্তর্জাতিক শাখাটা দুই জাতির মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে প্রতীকী করে।
ইভেন্টের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্বপূর্ণ দিক
IIT দিল্লি আবুধাবির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ খালিদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যিনি এ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব তুলে ধরেন সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের মধ্যে শিক্ষাগত ও গবেষণা সম্পর্কের উন্নয়নে। এই উদ্যোগ আবুধাবির শিক্ষা ও জ্ঞান বিভাগ, IIT দিল্লি এবং ভারত সরকারের শিক্ষামন্ত্রণালয়ের মধ্যে জুলাই ২০২৩-এ স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির ফলাফল, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে স্বাক্ষরিত হয়।
শিক্ষা ও গবেষণার একটি নতুন স্তম্ভ
IIT দিল্লি আবুধাবির উদ্বোধনের সঙ্গে, সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজেকে শিক্ষা ও গবেষণায় উৎকর্ষের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়েছে, যা পুরো অঞ্চল জুড়ে ছাত্র ও গবেষকদের আকর্ষণ করবে। প্রতিষ্ঠানটি প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও যথাযথ বিজ্ঞান বিষয়ে আধুনিক প্রোগ্রাম সরবরাহ করবে, যা বৈশ্বিক বাজার ও MENA অঞ্চলের চাহিদা মেটানোর জন্য প্রস্তুত। এই সহযোগিতা উভয় দেশের উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রচার করার প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে।
আমিরাত-ভারত সম্পর্কের উপর প্রভাব
IIT দিল্লি আবুধাবির সূচনা কেবল শিক্ষাগত সন্নিবেশ নয়, বরং সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভারতের মধ্যে সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক বিনিময়কেও দৃঢ় করে। দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব মজবুত হয়েছে, যা পুনঃনবীকরণযোগ্য শক্তি, অবকাঠামো এবং অত্যাধুনিক প্রযু্ক্তির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথ তৈরি করে। এই বৃহদাকার প্রকল্পটি উভয় জাতির দৃঢ় ও উদ্ভাবনী ভিত্তিতে একটি সাধারণ ভবিষ্যৎ নির্মাণের ইচ্ছাশক্তির সাক্ষ্য দেয়।
এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয় যে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভারত পারস্পরিক উপকারী সহযোগিতায় যুক্ত, যা IIT দিল্লি আবুধাবিকে গবেষণা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি প্রভাবশালী কেন্দ্র হিসেবে অবস্থান করে। এই উদ্যোগটি দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার প্রতি আরও আগ্রহ সৃষ্টি করবে, যা একটি আরও সংযুক্ত এবং সহযোগী একাডেমিক এবং পেশাদারিক দুনিয়া প্রচার করবে।








