সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতি শেখ মুহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এর কুয়েত রাষ্ট্রীয় সফর দুই দেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক সম্পর্ককে এক নতুন পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এই সফরটি অর্থনীতি, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সুযোগকে তুলে ধরেছে।
অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্কের দৃঢ়তা
রাষ্ট্রপতি শেখ মুহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ১০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে কুয়েত সফরটি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং বিনিয়োগ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। এই আলোচনায় এসব ক্ষেত্রের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষভাবে নবায়নযোগ্য শক্তি এবং প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা
দুই দেশের নেতারা বিভিন্ন খাতে, যেমন অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগে সহযোগিতা উন্নত করার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন। জিসিসির (গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল) আওতায় আঞ্চলিক সহযোগিতা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা গাজা এবং লেবাননের মত সংবেদনশীল এলাকার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা করেছেন এবং এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করেছেন।
স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য প্রতিশ্রুতি
এই সাক্ষাতের সময়, দুই দেশ আঞ্চলিক সমন্বয় শক্তিশালী করতে এবং সংঘাতের বিস্তার প্রতিরোধে প্রচেষ্টা সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। তারা গাজা এবং লেবাননের মত এলাকায় শত্রুতার অবসানে আন্তর্জাতিক জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, মানবিক আইন অনুসারে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলে। এই প্রচেষ্টা ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তি দিকে পরিচালিত, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার জন্য দুই রাষ্ট্র সমাধানের দিকে এগুচ্ছে।
সারসংক্ষেপে, রাষ্ট্রপতি শেখ মুহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এর কুয়েত রাষ্ট্রীয় সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নির্ধারণী মাইলফলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সফরে উদ্ভূত অর্থনৈতিক, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার নতুন সহযোগিতার পথ এ সমস্ত এলাকায় আমিরাত ও কুয়েতের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য এবং গালফ অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ উপস্থাপন করেছে।








